আমাদের সাথে যেই "ভুলগুলো হয়েছে" আমরা চাই আমাদের সন্তানদের সাথে সেগুলো না হোক
. . . আপনার কতবার মনে হয়েছে, ইশশশশ আব্বা-আম্মা যদি আমাকে এইগুলা শেখাত আজকে জীবনে এতো পিছিয়ে পরতাম না
এআই এবং তীব্র প্রতিযোগিতার এই পৃথিবীতে বাচ্চাকে শুধু জিপিএ ফাইভের ইঁদুর দৌড়ে না ফেলে, তাকে ভবিষ্যতের রিয়েল লাইফ ফাইন্যান্সিয়াল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করার প্র্যাক্টিক্যাল গাইডলাইন।
পকেট মানি নয়, রেভিনিউ
দ্য বিজনেস পিচ
আউটসোর্সিং এবং টিমওয়ার্ক
রিজেকশন হ্যান্ডলিং
নেগোসিয়েশন এবং প্রাইসিং
আমাদের দায়িত্ব ওদেরকে সব রকম কঠিন পরিস্থিতির জন্য রেডি করা. . .
পৃথিবী খুব দ্রুত বদলাচ্ছে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানুষের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে। চাকরির বাজার দিন দিন ছোট হয়ে আসছে এবং কম্পিটিশন হয়ে উঠছে ভয়ংকর।
শুধু ভালো রেজাল্ট বা নামিদামি ইউনিভার্সিটির সার্টিফিকেট দিয়ে আগামী দশ বছর পর টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব।
যে বাচ্চা ছোটবেলা থেকে নিজের সমস্যা নিজে সমাধান করতে শেখে না, সে রিয়েল লাইফের কঠিন বাস্তবে গিয়ে পুরোপুরি হারিয়ে যাবে।
আমাদের বাবা-মা যে ভুলটা করেছিলেন…
পড়ালেখা করে চাকরী কর নাহলে মানুষ কি বলবে? জীবনে উন্নতি হবেনা
একটু নিজেদের ছোটবেলার কথা ভাবুন তো। আমাদের কি বলা হয়েছিল? আমাদের কেউ বলেনি যে অ্যাথলিট হতে হবে, বা এন্টারপ্রেনার হতে হবে।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, আমাদের স্কুলে বা কলেজে যারা বিজনেস স্টাডিজ পড়াতেন, তারাও রিয়েল লাইফে কোনো বিজনেস করতেন না। তারা নিজেরাই চাকরিজীবী ছিলেন। যিনি জীবনে কখনো বিজনেসের রিস্ক নেননি, তিনি আমাদের কীভাবে প্র্যাক্টিক্যাল বিজনেস শেখাবেন?
ফলে থিওরি পড়ে আমরা যখন পড়াশোনা শেষ করে রিয়েল লাইফে ঢুকলাম, তখন পদে পদে ধাক্কা খেয়েছি। আমরা অনেকেই এখন ভাবি, আমাদের বাবা-মা যদি আমাদের একটু প্র্যাক্টিক্যাল দুনিয়ার সাথে পরিচয় করাতেন, তবে আজ আমরা ফাইন্যান্সিয়ালি আরও অনেক স্ট্রং থাকতাম।
আমরা যে অনিশ্চয়তা আর ফ্রাস্ট্রেশনের মধ্য দিয়ে গেছি, আমাদের সন্তানরাও কি একই পরিস্থিতির শিকার হবে?







আপনার বাচ্চার বয়স যদি ৬-১৬ এর ভেতরে হয় তাহলে এই বইটা আপনার জন্য। বইটি পড়ে দেখুন . . .
- হাতখরচের এমপ্লয়ি মাইন্ডসেট ভেঙে কীভাবে বাচ্চাকে ইনকাম, এক্সপেন্স এবং প্রফিট এর রিয়েল লাইফ কনসেপ্ট প্র্যাকটিস করাবেন।
- বসের মতো হুকুম না দিয়ে, বাচ্চাকে দিয়ে কীভাবে ঘরের ভেতরের সমস্যা খুঁজিয়ে আপনার কাছে প্রফেশনাল পিচ বা সেলস প্রেজেন্টেশন করাবেন।
- নিজের কাজের ভ্যালু বুঝতে শেখা এবং ক্লায়েন্টের (আপনার) সাথে ইমোশন সরিয়ে দরকষাকষি করার সাইকোলজি।
- একা গাধার খাটনি না খেটে, কীভাবে ভাইবোন বা বন্ধুদের সাব-কন্ট্রাক্টে হায়ার করে কাজ আদায় করতে হয় এবং প্রফিট শেয়ার করতে হয়।
- ক্লায়েন্ট মুখের ওপর "না" বললে ভেঙে না পড়ে, সেটাকে ডেটা বা ফিডব্যাক হিসেবে গ্রহণ করার কর্পোরেট মানসিকতা।
ইলন মাস্ক হওয়ার দরকার নাই, সারভাইভ করুক
আমরা বলছি না যে এই গাইড পড়লে আপনার সন্তান রাতারাতি ইলন মাস্ক বা বিল গেটস হয়ে যাবে। সবার বিলিওনেয়ার হওয়ার দরকারও নেই। কিন্তু আমরা চাই, জীবনে যত বড় ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইসিসই আসুক না কেন, তারা যেন কখনোই অসহায় বোধ না করে।
চাকরি না থাকলেও তারা যেন নিজের প্রবলেম সলভিং স্কিল দিয়ে রেভিনিউ জেনারেট করার রাস্তা বের করতে পারে। তারা যেন পৃথিবীর যেকোনো পরিস্থিতিতে সারভাইভ করতে পারে এবং লিড দিতে পারে।
যে বাচ্চা আজ স্কিল শিখবে আগামীতে সে-ই লিড দেবে
আপনি হয়তো ভাবছেন, "বাচ্চা তো ছোট, এখন এসবের কী দরকার?"
. . . কিন্তু সত্যিটা হলো, আমরা এখন ওদেরকে যাই শেখাব ওরা তাই শিখবে।
যে বাচ্চা আজ থেকে নেগোসিয়েশন, মানি ম্যানেজমেন্ট আর প্রবলেম সলভিং শিখছে, আগামী দশ বছর পর আপনার বাচ্চা হয়তো তার কোম্পানিতেই চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাবে।
বাবা-মা হিসেবে আমরা চাই না আমাদের কোনো ভুলের কারণে বাচ্চারা ফিউচারে সাফার করুক। আমরা আমাদের সাধ্যমতো তাদের সেরা টুলসগুলো দিয়ে যেতে চাই।
আপনার সন্তানকে শুধু একজন এমপ্লয়ি হিসেবে নয়, তাকে ভবিষ্যতের একজন লিডার এবং ফাইন্যান্সিয়ালি ইন্ডিপেন্ডেন্ট মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জার্নি শুরু হোক আজ থেকেই।
আজই শুরু করুন
আপনার সন্তানের ট্রান্সফরমেশন
রেগুলার প্রাইস: ৫০০ টাকা
আজকের অফার প্রাইস: ১৯৭ টাকা